আপনি যদি হরর সিনেমার প্রেমী হন এবং “It Chapter Two 2019” সম্পর্কে জানতে চান, তাহলে এই রিভিউ আপনার জন্য একদম উপযোগী। এই সিনেমাটি মূলত ২০১৭ সালের “It” এর সিক্যুয়েল, যেখানে পুরনো বন্ধুদের আবার একসঙ্গে ভয়ংকর পেনিওয়াইজের মুখোমুখি হতে দেখা যায়। আপনি কি জানতে চান, এই সিনেমা কি সত্যিই প্রথমের মতো ভয়ঙ্কর এবং উত্তেজনাপূর্ণ? অথবা কি কারণে কিছু দর্শক এটাকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন?
আপনার সব প্রশ্নের উত্তর এবং সিনেমার ভালো-মন্দ, কাস্টিং থেকে শুরু করে গল্পের গভীরতা পর্যন্ত বিশ্লেষণ পেতে এই আর্টিকেলটি পড়ুন। আমরা আপনাকে এমন তথ্য দেব যা দেখে আপনি নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন, এই সিক্যুয়েলটি আপনার সময় এবং টাকা খরচ করার যোগ্য কিনা। তাই, পুরো লেখাটি পড়ে ফেলুন এবং আপনার মতামত জানান!
চলচ্চিত্রের সারসংক্ষেপ
ইট: চ্যাপ্টার টু হলো ২০১৯ সালের একটি সায়কোলজিক্যাল হরর ছবি। এটি স্টিফেন কিং-এর উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি। ছবির গল্পে আমরা দেখতে পাই একদল বন্ধু যারা অতীতের ভয়াবহ স্মৃতির মুখোমুখি হয়। তারা আবারও তাদের ছোটো শহরে ফিরে আসে। উদ্দেশ্য একটাই—দুষ্ট পেনিওয়াইজের হাত থেকে শহরকে রক্ষা করা।
ছবিটি বেশ দীর্ঘ, প্রায় তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলেছে। এতে অনেক মজার এবং ভয়ঙ্কর মুহূর্ত আছে। তবে কিছু অংশ দর্শকদের কাছে ধীরগতি লাগতে পারে। গল্পের গভীরতা এবং থিম অনেকাংশে উন্নত হয়েছে।
কাহিনী ও থিম
গল্প শুরু হয় ২৭ বছর পর, যখন ছেলেরা বড় হয়েছে। তাদের পুরনো শত্রু পেনিওয়াইজ আবার ফিরে এসেছে। তারা একত্রিত হয় শহরকে বাঁচানোর জন্য।
থিমে রয়েছে বন্ধুত্ব, সাহসিকতা, এবং অতীতের সাথে মোকাবিলা। ভয় এবং সাহসের লড়াই ছবির মূল বিষয়।
অবস্থান ও সময়কাল
ছবির ঘটনা ঘটে একটি ছোট শহরে, মেইন রাজ্যে। সময়কাল ১৯৮৫ এবং বর্তমান যুগের মিশ্রণ।
স্থানীয় পরিবেশ এবং শহরের ডিজাইন ছবির ভয়াবহ আবহ তৈরি করেছে। সময়কাল অনুযায়ী পোশাক ও পরিবেশ খুবই প্রামাণিক।
পরিচালনা ও চিত্রগ্রহণ
‘ইট: চ্যাপ্টার টু’ সিনেমাটির পরিচালনা ও চিত্রগ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। পরিচালনা ও চিত্রগ্রহণই সিনেমার মেজাজ গড়ে তোলে। এই দুটি উপাদান দর্শকদের ভয়ের অনুভূতি ও গল্পের গভীরতা বাড়ায়। সিনেমাটির ভিজ্যুয়াল স্টাইল ও পরিচালনার ছাপ দর্শকদের মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।
সিনেমাটির প্রতিটি সীনে পরিচালকের দৃষ্টি ও ক্যামেরার কাজ স্পষ্ট দেখা যায়। সেট ডিজাইন ও ভিজ্যুয়াল এফেক্টের মাধ্যমে গল্পের রহস্য এবং আতঙ্ক আরও বাড়ানো হয়েছে।
অ্যান্ড্রেস মাসচিয়েতির কাজ
অ্যান্ড্রেস মাসচিয়েতি পরিচালনায় গল্পের থ্রিলার ও আতঙ্ক উপাদান সুস্পষ্ট। তার ফোকাস ছিল চরিত্রদের মানসিক অবস্থা ফুটিয়ে তোলা। তিনি সাসপেন্স তৈরি করতে ক্যামেরার গতি এবং কোণ ব্যবহার করেছেন। মাসচিয়েতি দর্শকদের মনোযোগ ধরে রাখার জন্য দৃশ্যগুলোতে নিয়ন্ত্রিত টেম্পো রেখেছেন। তিনি গল্পের আবেগ ও ভয়াবহতা সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে মিশিয়েছেন।
সেট ডিজাইন ও ভিজ্যুয়াল এফেক্ট
সেট ডিজাইন সিনেমাটির ভৌতিক পরিবেশ তৈরি করেছে। পুরানো শহরের মুড উপস্থাপন করতে বিস্তারিত কাজ করা হয়েছে। ভিজ্যুয়াল এফেক্টস গল্পের ভয়ের মাত্রা বাড়িয়েছে। বিশেষ করে পেনিওয়াইজের চেহারা ও তার দৃষ্টান্তগুলো খুবই কার্যকর। স্ট্রিট এবং বাড়ির ভুতুড়ে পরিবেশ দর্শকদের আতঙ্কিত করে।
সেট এবং ভিজ্যুয়াল এফেক্ট একসঙ্গে গল্পের রহস্যময়তা বৃদ্ধি করে। এটি সিনেমাটিকে আরও স্মরণীয় করে তোলে। প্রতিটি ফ্রেমে ভয় ও উত্তেজনা বজায় রাখা হয়েছে।
অভিনয় ও চরিত্রায়ন
‘It Chapter Two’ সিনেমাটির অভিনয় ও চরিত্রায়ন দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। চরিত্রগুলোর গভীরতা এবং অভিনেতাদের পারফরম্যান্স গল্পের সাথে সম্পূর্ণ মিশে গিয়েছে। প্রতিটি চরিত্রের অনুভূতি এবং ভাব প্রকাশ খুবই স্বাভাবিক হয়েছে।
অভিনয় ও চরিত্রায়ন সিনেমাটির মূল শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। সিনেমার দীর্ঘতা সত্ত্বেও, চরিত্রগুলো জীবন্ত মনে হয়েছে। দর্শকরা সহজেই তাদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে পেরেছে।
প্রধান চরিত্র ও অভিনেতাদের পারফরম্যান্স
বিল স্কার্সগার্ড পেনি ওয়াইজের ভূমিকায় অসাধারণ অভিনয় করেছেন। তার ভয়ংকর উপস্থিতি সিনেমার ভয় বাড়িয়েছে। অন্যদিকে, বাচ্চাদের চরিত্রগুলো বড় হয়ে যাদের অভিনয় করেছেন, তারা চরিত্রের অভিজ্ঞতা সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
জেমস ম্যাকাভয়, বিল হেডার, এবং জেসিকা চাস্টেইন তাদের চরিত্রে প্রগাঢ় আবেগ দেখিয়েছেন। তারা পুরনো বন্ধুদের সম্পর্ক এবং তাদের মধ্যে থাকা ভয়ের মিশ্রণ খুব ভালোভাবে প্রকাশ করেছেন।
চরিত্র বিকাশ ও সম্পর্ক
সিনেমাটিতে চরিত্রগুলোর বিকাশ দেখতে পাওয়া যায়। তারা ছোটবেলার ভয় ও ট্রমা থেকে মুক্তি পেতে চেষ্টা করে। সম্পর্কগুলো সময়ের সাথে জটিল ও গভীর হয়েছে।
বন্ধুত্বের বন্ধন এবং পুরনো স্মৃতিগুলো চরিত্রগুলোর মধ্যে একটি শক্তিশালী সংযোগ তৈরি করেছে। দর্শকরা তাদের মানসিক যাত্রায় সহজেই যুক্ত হতে পারে। এই সম্পর্কগুলো গল্পে অতিরিক্ত মাত্রা যোগ করেছে।
ভয় ও রোমাঞ্চ উপাদান
ইট চ্যাপ্টার টু (২০১৯) সিনেমাটির ভয় ও রোমাঞ্চ উপাদান দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। সিনেমাটি মূলত এক ধরনের হরর থ্রিলার, যেখানে ভয়ের বিভিন্ন স্তর ও রোমাঞ্চকর মুহূর্তের সমন্বয় ঘটানো হয়েছে।
সিনেমার ভয় ও রোমাঞ্চ উপাদান দর্শকের হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে তোলে। কিছু দৃশ্য এমনভাবে নির্মিত হয়েছে যা দর্শককে চমকে দেয়। এই উপাদানগুলো সিনেমার মূল আকর্ষণ।
জাম্প স্কেয়ারস ও সাসপেন্স
সিনেমায় জাম্প স্কেয়ারস ব্যবহৃত হয়েছে যথাযথ মাত্রায়। হঠাৎ করে আসা ভয়ের মুহূর্তগুলো দর্শককে সতর্ক করে তোলে।
সাসপেন্স তৈরি করা হয়েছে মনের উত্তেজনা ধরে রাখার জন্য। গল্পের গতি ও দৃশ্যের মিল খুবই ভালো।
সাসপেন্স দর্শকের আগ্রহ বাড়িয়ে তোলে এবং ভয়ের অনুভূতি তৈরি করে। এই উপাদানগুলো সিনেমার প্রাণ।
ভয়ের দিক থেকে সফলতা ও দুর্বলতা
সিনেমাটি অনেক ক্ষেত্রে ভয়ের দিক থেকে সফল হয়েছে। বিশেষ করে চরিত্রগুলোর মনস্তাত্ত্বিক ভয় খুবই প্রভাবশালী।
কিছু অংশে ভয় তৈরির ক্ষেত্রে দুর্বলতা লক্ষ্য করা গেছে। কিছু জাম্প স্কেয়ারস অতিরিক্ত এবং অপ্রয়োজনীয় মনে হয়েছে।
ভয়ের গভীরতা তৈরি করতে কিছু দৃশ্য আরও উন্নত হতে পারত। তবুও, মোটামুটি ভয়ের পরিবেশ বজায় রেখেছে।
সমালোচক ও দর্শক প্রতিক্রিয়া
২০১৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র It Chapter Two বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে সমালোচকদের এবং দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। চলচ্চিত্রটি আগের কিস্তির জনপ্রিয়তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চেয়েছিল। সমালোচক এবং দর্শক উভয়ের প্রতিক্রিয়া সিনেমাটির নানা দিক তুলে ধরেছে। এখানে আমরা এই প্রতিক্রিয়াগুলো বিশ্লেষণ করব।
সামগ্রিক সমালোচনা
সমালোচকরা It Chapter Two কে একটি দীর্ঘ, কিন্তু প্রায়শই আকর্ষণীয় সিকুয়েল হিসেবে দেখেছে। অনেকেই পছন্দ করেছেন চলচ্চিত্রের চরিত্র নির্মাণ এবং বিশেষ করে সেট ডিজাইনের যত্ন। পরিচালক আন্দ্রেস মুশিয়েত্তির কাজ প্রশংসিত হয়েছে।
তবে কিছু সমালোচক মনে করেছেন চলচ্চিত্রটি অনেক সময় নষ্ট করে অতিরিক্ত নাটক ও কমেডিতে বেশি মনোযোগ দিয়েছে। এর ফলে ভয়ের উপাদান কিছুটা কমে গেছে। কিছু অংশ দর্শকদের জন্য ধীরগতি এবং ক্লান্তিকর মনে হয়েছে।
দর্শক প্রতিক্রিয়ার বৈচিত্র্য
দর্শকদের প্রতিক্রিয়া ব্যাপক ভিন্নতা দেখা গেছে। অনেকেই বলছেন এটি আগের চলচ্চিত্রের তুলনায় কম ভয়ঙ্কর এবং বেশি নাটকীয়। তারা মনে করেন, প্রথম কিস্তির ভয় উপাদান এখানে কমে গেছে।
অন্যদিকে, কিছু দর্শক সিনেমাটির দীর্ঘ সময়সীমা সত্ত্বেও গল্পের গভীরতা এবং চরিত্র বিকাশ পছন্দ করেছেন। তাদের মতে, এটি একটি মানসম্পন্ন সিকুয়েল যা মূল গল্পকে সুন্দরভাবে সম্পূর্ণ করে।
বক্স অফিস পারফরম্যান্স
২০১৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত “ইট: চ্যাপ্টার টু” ছবিটি বক্স অফিসে বিশেষ নজর কেড়েছিল। এই ছবির আর্থিক সফলতা এবং প্রথম চলচ্চিত্রের সঙ্গে এর পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করা জরুরি। দর্শক ও সমালোচকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকা সত্ত্বেও, ছবিটি বাণিজ্যিক দিক থেকে ভালো করেছে।
আর্থিক সাফল্য
“ইট: চ্যাপ্টার টু” মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই ব্যাপক আয় করেছে। এটি সেই সময়ের সবচেয়ে বড় হরর ফিল্ম মুক্তির মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী। বিশ্বব্যাপী এই ছবির টিকিট বিক্রির পরিমাণ লক্ষণীয়।
ওয়ার্নার ব্রোসের প্রচার ও মার্কেটিং কৌশল সফল হয়েছিল। ছবিটি দীর্ঘ সময় ধরে সিনেমা হলগুলোতে চলতে থাকে। তাই এটি প্রযোজকদের জন্য লাভজনক প্রমাণিত হয়।
প্রথম চলচ্চিত্রের সাথে তুলনা
প্রথম “ইট” ছবির সঙ্গে তুলনা করলে, দ্বিতীয় পর্বের দর্শক প্রতিক্রিয়া মিশ্র। কিছু দর্শক মনে করেন এটি আগের ছবির মতো ভয়ানক ছিল না।
কিছু সমালোচক বলেছিলেন, দ্বিতীয় অংশে ভয়াবহতা কমে গিয়ে অ্যাডভেঞ্চার ও কমেডির মাত্রা বেশি ছিল। তাই প্রথম ছবির মতো অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়নি।
তবুও, বক্স অফিসে দ্বিতীয় পর্বের সাফল্য প্রমাণ করে দর্শকরা ছবিটি দেখতে আগ্রহী ছিলেন।
চলচ্চিত্রের সীমাবদ্ধতা
২০১৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘It Chapter Two’ সিনেমাটি বড় বাজেট এবং জনপ্রিয়তার কারণে অনেকের নজর কেড়েছিল। তবুও, এই চলচ্চিত্রের কিছু সীমাবদ্ধতা দর্শকদের মধ্যে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। সিনেমাটির দীর্ঘতা এবং গল্পের কিছু অংশের গঠনগত দুর্বলতা অনেক সমালোচনার কারণ হয়েছে। এই সীমাবদ্ধতাগুলো বুঝতে হলে আমাদের সিনেমাটির গঠনগত সমস্যা এবং সমালোচনার কারণগুলো বিশ্লেষণ করতে হবে।
গঠনগত সমস্যা
চলচ্চিত্রটির গল্প অনেক বড় এবং জটিল। কিন্তু সেটি খুব ভালভাবে গুছানো হয়নি। অনেক সময় গল্পের ফাঁকফোকর স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। চরিত্রদের বিকাশ অসম্পূর্ণ থেকে গেছে। অতিরিক্ত কমেডি এবং অ্যাডভেঞ্চার এলিমেন্ট অনেক সময় ভয়াবহতার মূল অনুভূতিকে দুর্বল করেছে। সিনেমার দৈর্ঘ্য অনেক বেশি হওয়ায় দর্শকরা মাঝে মাঝে ক্লান্ত বোধ করেছেন। এ কারণে সিনেমার রিদম কিছুটা ধীর হয়ে পড়েছে।
কিছু সমালোচনার কারণ
প্রথম সিনেমার তুলনায় ‘It Chapter Two’ অনেকের কাছে কম ভয়ঙ্কর লেগেছে। অনেক দর্শক মনে করেন, ভয়ের উপাদান কম ছিল। অতিরিক্ত হাস্যরস এবং নাটকীয়তা অনেক সময় ভয়ঙ্কর মুহূর্তগুলোকে ছাপিয়ে গেছে। কিছু সমালোচক বলছেন, সিনেমাটি মূল গল্প থেকে বিচ্যুত হয়েছে। এছাড়া, কিছু অংশে অপ্রয়োজনীয় দৃশ্য সংযোজন হয়েছে যা গল্পের ধারাবাহিকতা নষ্ট করেছে। এসব কারণে সিনেমাটি সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছে।
ফ্র্যাঞ্চাইজির ভবিষ্যত
ইট: চ্যাপ্টার টু ২০১৯ মুক্তির পর থেকে ফ্র্যাঞ্চাইজির ভবিষ্যত নিয়ে অনেক আলোচনা চলছে। এটি শুধুমাত্র একটি সিনেমা নয়, বরং একটি বড় মনস্তাত্ত্বিক ও থ্রিলার ধারার সিরিজ। দর্শক ও সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া মিশ্র হলেও ফ্র্যাঞ্চাইজির আগ্রহ এখনও অটুট। নতুন গল্প এবং চরিত্র নিয়ে ভবিষ্যতে আরও অনেক কিছু আসতে পারে।
ফ্র্যাঞ্চাইজির বিশ্বকে আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা চলছে। এর মাধ্যমে ভক্তরা নতুন ধরনের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা পাবেন। সিনেমার সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে নির্মাতারা ভবিষ্যত প্রকল্প নিয়ে কাজ করছেন।
সম্ভাব্য সিক্যুয়েল ও স্পিন-অফ
ইট সিরিজের সিক্যুয়েল তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। পেনি ওয়াইজের অতিরিক্ত গল্প নিয়ে স্পিন-অফ আসতে পারে। ভিন্ন চরিত্র ও ভিন্ন প্লট নিয়ে নতুন সিনেমা তৈরি হতে পারে। স্পিন-অফগুলো মূল সিরিজের থেকে আলাদা হলেও একই জগতে থাকবে। ভয়ঙ্কর ও রহস্যময় নতুন গল্প দর্শকদের আকর্ষণ করবে।
দর্শকের প্রত্যাশা
দর্শকরা আরও গভীর গল্প এবং ভয়ঙ্কর দৃশ্য দেখতে চান। তারা চায় আগের মতো উত্তেজনা ও ভয়ের মিশ্রণ। নতুন চরিত্র ও পুরানো চরিত্রের মিলিত গল্প প্রত্যাশিত। অনেকেই চায় সিনেমার গুণগত মান বজায় রাখা হোক। ভক্তরা সজাগ চোখে প্রতিটি অংশের অপেক্ষা করছেন।
Frequently Asked Questions
Why Did It Chapter 2 Get Bad Reviews?
ইটি চ্যাপ্টার ২-কে খারাপ রিভিউ পাওয়ার কারণ হলো গল্প দীর্ঘায়িত ও ধীরগতি হওয়া। ভয়ের উপাদান কমে গিয়ে কম মজা লাগার অভিযোগ ছিল। অনেকেই বলেছে এটি প্রথম অংশের মতো সাসপেন্স তৈরি করতে পারেনি। অতিরিক্ত কমেডি ও দুর্বল চরিত্র বিকাশ দর্শকদের মনোযোগ কমিয়েছে।
What Did Critics Say About It Part 2?
সমালোচকরা বলেছে, “ইট: চ্যাপ্টার টু” দীর্ঘ এবং কিছু অংশ বোরিং। তবে এটি গভীর, মজার এবং দক্ষ পরিচালিত। যদিও প্রথম অংশের তুলনায় কম ভয়ঙ্কর মনে হয়। চলচ্চিত্রটি আর্থিকভাবে সফল হলেও গুণগত দিক থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেয়েছে।
Is It Chapter 2 Hit Or Flop?
ইট চ্যাপ্টার ২ অর্থনৈতিকভাবে সফল হলেও সমালোচকদের থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পায়। এটি প্রথম অংশের মতো ভয়ঙ্কর বা প্রশংসিত হয়নি।
Was It 2 A Good Movie?
ইট: চ্যাপ্টার টু অর্থনৈতিকভাবে সফল হলেও সমালোচকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া পায়। এটি প্রথম অংশের চেয়ে কম ভয়ঙ্কর ও বেশি নাটকীয়। ভালো অভিনয় এবং সেট ডিজাইন থাকলেও অনেক দর্শক হতাশ। তাই ভালো বা খারাপ বলা মিশ্র প্রতিক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে।
Conclusion
ইট চ্যাপ্টার টু ২০১৯ সিনেমাটি মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। সিনেমার গল্প ও চরিত্র গভীর হলেও কিছু অংশ ধীরগতি ও অতিরিক্ত হাস্যরস সৃষ্টি করেছে। ভক্তরা প্রথম অংশের তুলনায় কম ভয় পেয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন। তবুও, সিনেমাটি বক্স অফিসে ভালো সফলতা অর্জন করেছে। যারা হরর ও থ্রিলার পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি দেখার মতো। শেষ পর্যন্ত, ইট চ্যাপ্টার টু একটি মজার এবং ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা প্রদান করেছে। দর্শকদের মতামত ভিন্ন হলেও, এটি হরর ফ্যানদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সিনেমা।
